সঙ্কটে সুন্দর বনের বাঘ!
বিশ্বদেব চট্টোপাধ্যায়
২৯ জুলাই বিশ্ব বাঘ দিবস। এবারে দিবসটির প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘বাঘ বাঁচান, মায়ের মত সুন্দরবন রক্ষা করুন’। বাংলাদেশ, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, চীন, ভুটান, নেপাল, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, লাওস, ভিয়েতনাম ও রাশিয়া, বিশ্বে বাঘ আছে এই ১৩ দেশে প্রতি বছর এ দিনটি পালিত হয়। রয়েল বেঙ্গল টাইগারের প্রধান আবাসস্থল সুন্দরবন হলেও এদেরকে রক্ষায় আজ পর্যন্ত তেমন কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। বিভিন্ন দেশ বাঘ বাঁচাতে নানা উদ্যোগে নিলেও সুন্দরবনের বাঘের মৃত্যু আশঙ্কাজনকহারে বেড়ে গেছে।
ছবি, সৌঃ আন্তৰ্জাল
২০০১ থেকে ২০১২ সালের জুলাই পর্যন্ত ১২ বছরে সুন্দরবন ও সংলগ্ন
এলাকায় মোট ৩২টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে। শিকারীদের হানা, গ্রামবাসীর পিটুনি,
বার্ধক্যের কারণে ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে এসব বাঘের মৃত্যু হয়েছে। বনবিভাগের
প্রয়োজনীয় জনবল, উপকরণসহ বাজেট ঘাটতির কারণে সুন্দরবনের বাঘসহ বন্য
প্রাণীকে সঠিকভাবে রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। এলাকাবাসীর মধ্যে সচেতনতা না
থাকায় বাঘকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হচ্ছে। প্রাণী বিশেষজ্ঞ ও পরিবেশবাদীরা
সুন্দরবনের মহামূল্যবান সম্পদ বাঘের মৃত্যুর জন্য ৫ কারণকে চিহ্নিত করেছেন।
তারা বলছেন, শিকারীদের জালে আটকে, বনদস্যুদের গুলিতে, প্রাকৃতিক
ঝড়-জলোচ্ছ্বাস, সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকার মানুষের মধ্যে অজ্ঞতা ও সচেনতার
অভাবের কারণেই বনত্যাগী এসব রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আর বনে ফেরা হয় না। বন
সংলগ্ন লোকালয়েই ঘটছে তাদের মর্মান্তিক মৃত্যু।
এছাড়া সুন্দরবনের স্থানীয় বন বিভাগ লোকবল ও প্রয়োজনীয় উপকরণ সংকটের কারণে বাঘ সংরক্ষণে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ ও নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় প্রতিনিয়িত বাঘের মৃত্যু ঘটছে। ফলে সুন্দরবনের বাঘের স্বাভাবিক বংশবৃদ্ধি, নিরাপত্তা ও অস্তিত্ব চরম হুমকির মধ্যে।
সুন্দরবনের বাঘের দিকে লোলুপ দৃষ্টি পড়েছে আন্তর্জাতিক বাঘ পাচারকারী সিন্ডিকেটের। কয়েক বছর ধরেই আন্তর্জাতিক এ চক্রটি সুন্দরবনে বিষ টোপ ও ফাঁদ পেতে বাঘ শিকার করে তার চামড়া, মাথা ও হাড়গোড় পাচার করে চলেছে।
জানা যায়, বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান ইতিমধ্যেই ‘বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারকরণ’ শীর্ষক প্রকল্প প্রণয়ন করেছে। প্রকল্পটি বর্তমানে বাস্তবায়নাধীন। ভারতও এ প্রকল্পের অধীনে চলতি বছরই কার্যক্রম শুরু করবে।
বিশ্ব বাঘ দিবস নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বনমন্ত্রকের কোন সচেতনতা আছে কিনা তা বোঝা না গেলেও প্রতিবেশি রাষ্ট্র বালাদেশ এ ব্যাপারে যথেষ্ট সক্রিয়। বাংলাদেশের সুন্দরবন এলাকায় বিশ্ববাঘ দিবস উপলক্ষ্যে জনসচেতনতামূলক নানান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এছাড়া সুন্দরবনের স্থানীয় বন বিভাগ লোকবল ও প্রয়োজনীয় উপকরণ সংকটের কারণে বাঘ সংরক্ষণে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ ও নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় প্রতিনিয়িত বাঘের মৃত্যু ঘটছে। ফলে সুন্দরবনের বাঘের স্বাভাবিক বংশবৃদ্ধি, নিরাপত্তা ও অস্তিত্ব চরম হুমকির মধ্যে।
সুন্দরবনের বাঘের দিকে লোলুপ দৃষ্টি পড়েছে আন্তর্জাতিক বাঘ পাচারকারী সিন্ডিকেটের। কয়েক বছর ধরেই আন্তর্জাতিক এ চক্রটি সুন্দরবনে বিষ টোপ ও ফাঁদ পেতে বাঘ শিকার করে তার চামড়া, মাথা ও হাড়গোড় পাচার করে চলেছে।
জানা যায়, বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান ইতিমধ্যেই ‘বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারকরণ’ শীর্ষক প্রকল্প প্রণয়ন করেছে। প্রকল্পটি বর্তমানে বাস্তবায়নাধীন। ভারতও এ প্রকল্পের অধীনে চলতি বছরই কার্যক্রম শুরু করবে।
বিশ্ব বাঘ দিবস নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বনমন্ত্রকের কোন সচেতনতা আছে কিনা তা বোঝা না গেলেও প্রতিবেশি রাষ্ট্র বালাদেশ এ ব্যাপারে যথেষ্ট সক্রিয়। বাংলাদেশের সুন্দরবন এলাকায় বিশ্ববাঘ দিবস উপলক্ষ্যে জনসচেতনতামূলক নানান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।









কোন মন্তব্য নেই