অসমের বন্যাগ্রস্ত শিশুদের সহায়তার জন্য এগিয়ে এসেছে সেভ দা চিলড্রেন
নয়া ঠাহর প্রতিবেদন,। দক্ষিণ এশিয়াতে গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে বর্ষায় বৃষ্টিপাতের ফলে তিন রাজ্য অসম,বিহার,আর মহারাষ্ট্র ভয়ানক বন্যার কবলে পড়েছে। এই বন্যার ফলে ৩২ লাখ শিশু প্রভাবিত হয়েছে ।বর্তমানে বর্ষার মসরুম মাত্র শুরু হয়েছে ।আগামী দিনে বৃষ্টিপাতের ফলে আরও ভয়ানক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।যার ফলে লোক মৃত্যুমুখে পতিত হওয়া ছাড়া আহত হতে পারে। বন্যার ফলে বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যেতে পারে ।বর্তমানে বন্যার ফলে ১৫০ জন লোকের মৃত্যু হয়েছে এবং অনেক লোক নিখোঁজ হয়ে রয়েছে।এর ফলে মৃত্যুর সংখ্যা আরো বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।
পূর্বোত্তর রাজ্য আসামে ৪০০০ বেশী গ্রাম, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।রাজ্যের অনেক স্থানের সড়ক পথ ভেঙে গেছে যার ফলে প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছাতে ও উদ্ধার কার্য করতে খুব অসুবিধার সৃষ্টি হচ্ছে। রাজ্যের মোট জনসংখ্যার ১০% শতাংশ লোক বন্যার ফলে সরাসরি প্রভাবিত হয়েছে ।এর মধ্যে ২৭.২ লাখ বাচ্চাও রয়েছে ।উত্তর বিহারের ১০ লাখ শিশু বন্যায় প্রভাবিত হয়েছে ।রাজ্যের দুর্যোগ প্রশমন প্রাধিকরণ সংক্ষেপে (এসটিএমএ) সর্বশেষ তথ্য অনুসারে কিছু -কিছু জায়গায় নদী বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার ফলে ৩০ থেকে ৩৩ টি জেলা বন্যায় অত্যাধিক প্রভাবিত হয়েছে ।স্পেয়ার ইন্ডিয়া ইন্ডিয়ার সাথে মিলে সেভ দ্য চিলড্রেন সংস্থাটি বন্যার স্থিতি পর্যবেক্ষণ করে শিশুদের ও তাদের পরিজনদের মূলভূত প্রয়োজন গুলি পূরণ করার চেষ্টা করছেন ।এর জন্য সেভ দ্য চিলড্রেন রাজ্য সরকার ও রাষ্ট্রীয় স্তরে কাজ করছে এমন অনেক বেসরকারী এজেন্সীর সাহায্যে মিলে এই কাজ করবে ।
সেভ দ্য চিলড্রেন এর প্রোগ্রাম এবং পলিসি ডাইরেক্টর অনিন্দিত রায় বলেছেন যে তাদেরদের লক্ষ্য আসামের বন্যা গ্রস্থ ১৫০০০ শিশুদের কাছে পৌছে তাদের জীবনের প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছানো ।যার মধ্যে অস্থায়ী আবাস ,খাবার জল ,পরিষ্কার পরিছন্নতা পরিষেবা দেওয়া ও বাচ্চাদের বন্যার পরে বিভিন্ন রোগ থেকে বাঁচানোর জন্য এর অনেক প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। বন্যা গ্রন্থ এলাকায় প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছানোর কাজ করছেন যারা তাদের কথায় অনেক স্থানে রাস্তা খারাপ হয়ে রয়েছে ,বিদ্যুৎ নেই, অনেক গ্রাম সম্পূর্ণভাবে অন্যান্য এলাকা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে সেই জায়গায় পৌঁছাতে খুব অসুবিধা হচ্ছে ।রাজ্য সরকার ও স্থানীয় লোকদের সহযোগিতা সবাই একসাথে মিলে কাজ করছে। আর বন্যার সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা তে অত্যাবশ্যক সামগ্রী পৌঁছানোর জন্য প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে ।রাজ্য সরকার এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য চেষ্টা করছে। অনেক বাড়িঘর ,ক্ষেতের ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। যা লোকের জীবিকার উপর প্রভাব ফেলেছে এবং আগামী বেশ কিছুদিন এরকম পরিস্থিতি অটল থাকবে।










কোন মন্তব্য নেই