Header Ads

বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে মুখোমুখি ভারত-নিউজিল্যান্ড, কোনও অপ্ৰীতিকর পরিস্থিতি ঠেকাতে কড়া অবস্থানে আইসিসি

নয়া ঠাহর ওয়েব ডেস্কঃ হেডিংলিতে ম্যাচ চলাকালীন সময়ে ‘কাশ্মীরের জন্য ন্যায়বিচার’ স্লোগান নিয়ে উড়ে গিয়েছিল একটি বিমান। এরপর এদিন হেডিংলির আকাশে আরও দুটি বিমানের লেজে রাজনৈতিক বাৰ্তা দেখা গেছে। বিষটি মোটেও ভালভাবে নেয়নি ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)। আজ অৰ্থাৎ মঙ্গলবার মাঞ্চেস্টারে প্ৰথম সেমিফাইনালের ম্যাচ। মুখোমুখি হচ্ছে ভারত এবং নিউজিল্যান্ড। আজকের ম্যাচেও যাতে এধরনের কাৰ্যকলাপের পুনরাবৃত্তি না ঘটে তা নিশ্চিত করতে আইসিসি-র কাছে আবেদন জানিয়েছিল বিসিসিআই। সেই আবেদনের প্ৰেক্ষিতেই নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি। ম্যাচ চলাকালীন সময় ওল্ড ট্রাফোর্ডের আকাশসীমায় কোনো বিমানকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। 
ছবি, সৌঃ আন্তৰ্জাল

বিশ্বকাপের মাঠে এ ধরনের রাজনৈতিক বার্তা নিয়ে উড়োজাহাজ কীভাবে ঢুকল, সে ব্যাপারে ব্যাখ্যা চেয়ে আইসিসির কাছে চিঠি দিয়েছিল বিসিসিআই। কীভাবে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিকে এড়ানো যায়, সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতেও অনুরোধ করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতেই বিশ্বকাপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্টিভ এলওয়ার্দি বিসিসিআইকে কথা দিয়েছেন, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে যেন এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে ব্যাপারে সম্ভাব্য সবকিছুর ব্যবস্থা করবে আইসিসি।
গত ৬ জুলাই হেডিংলিতে ভারত-শ্রীলঙ্কার ম্যাচ চলাকালীন বিমানের লেজে ‘কাশ্মীরের জন্য ন্যায়বিচার’ এমন স্লোগান উড়ে যায়। একটু পর ‘ভারত জেনোসাইড বন্ধ করো এবং কাশ্মীরকে স্বাধীনতা দাও’ এই স্লোগান নিয়ে আরেকটি বিমান উড়ে যায়। একই ম্যাচে ভারতে বিচারবহির্ভূত হত্যা বন্ধ সংবলিত স্লোগান নিয়ে তৃতীয় বিমানও দেখা গেছে।

যদিও এসবের কোনও প্ৰভাব পড়ে নি খেলোয়াড়দের ওপর। এদিন ভারত শ্ৰীলঙ্কাকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে। প্রথম থেকেই ভারতীয় দলের অবস্থান ভাল ছিল। 

এর আগে গত ২৯ জুন পাকিস্তান-আফগানিস্তান ম্যাচেও বেলুচিস্তান প্রদেশকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বার্তা থাকা একটি বিমানকে উড়ে যেতে দেখা গিয়েছিল। আয়তনের দিক দিয়ে বেলুচিস্তান পাকিস্তানের সর্ববৃহৎ প্রদেশ এবং এটি উত্তর আফগানিস্তানের সীমান্ত ঘেঁষা। ১৯৪৮ সাল থেকেই বেলুচিস্তানের স্বাধীনতার জন্য বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন চলছে। পাকিস্তান বরাবরই দাবি করে আসছে, বেলুচ বিদ্রোহীদের মদদ জোগাচ্ছে ভারত ও আফগানিস্তান। তাই সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার রাজনৈতিক সম্পর্ক বেশ নড়বড়ে। সমর্থকদের মাঝে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি যাতে আর তৈরি না হয়, তার জন্য আইসিসি স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাত্ম হয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছিলেন আইসিসির প্রধান নির্বাহী ডেভিড রিচার্ডসন। এ ছাড়াও স্টেডিয়ামগুলোতে যেন কোনো ধরনের রাজনৈতিক স্লোগান কেউ প্রচার করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতেও কড়া অবস্থানে রয়েছে আইসিসি বলে জানা গিয়েছে।  

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.