অস্ট্রেলিয়ায় এসিটি সদস্য নির্বাচিত হলেন ভারতের ছেলে দীপক ! গীতার উপর হাত রেখে করলেন শপথ গ্রহণ !!
বিশ্বদেব চট্টোপাধ্যায়
ভারতবংশীয় দীপক রাজ গুপ্তা অস্ট্রেলিয়াতে মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়া ক্যাপিটাল টেরিটরি (এসিটি) এসেম্বলিতে প্রথম ভারতীয়-অস্ট্রেলিয়ান মেম্বার নির্বাচিত হন এবং তিনি গীতার উপর হাত রেখে শপথ গ্রহণ করেন। ৩০ বছর বয়সী দীপক ১৯৮৯ সালে অস্ট্রেলিয়া যান।
দীপক বলেন যে, আমি পবিত্র গ্রন্থ গীতাতে হাত রেখে শপথ নেওয়ার সিদ্ধান্ত অনেক আগেই নিয়েছিলাম। অস্ট্রেলিয়ার সদনে বাইবেল ছুঁয়ে শপথ গ্রহণ করা হয়। আমি নিজের ইচ্ছা প্রকাশ করায় এসেম্বলির অফিসাররা নিয়ম চেক করে বলেন, যে কোনো সদস্য অন্য ধর্মের গ্রন্থ নিয়ে শপথ নিতে পারেন।
কোনো বাধা না থাকার পর তাকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তিনি নিজের সঙ্গে ভাগবত গীতার একটি প্রতিলিপি নিয়ে গিয়েছিলেন। পরে ভগবৎ গীতা এসেম্বলিকে সেভিনিয়ার হিসাবে গিফট করে দেন। দীপক এর ভাই অনিল রাজ বলেন যে দীপক অস্ট্রেলিয়াতে অনেক লড়াই করেছে। গাড়ি ধোয়া থেকে শুরু করে রেস্টুরেন্টেও কাজ করেছে, পাশাপাশি তিনি পড়াশোনাও করতেন। দীপক ১৯৯১ এ পাবলিক রিলেশান অফিসারের কাজ পান। এরপর তিনি ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্স এক্সিকিউটিভ অফিসারের সরকারি চাকরিও পান।
অনিল জানান যে দীপক অস্ট্রেলিয়াতে থাকলেও ভারতীয় সংস্কৃতিকে ভোলেন নি। তিনি ভারতীয় সংস্কৃতিকে প্রমোট করার জন্য অনেক শিবিরের আয়োজন করেন। ক্যানবেরাতে ভারতের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় তাতে মন্ত্রীদের ডাকা হয় যাতে ভারতীয় সংস্কৃতির ব্যাপারে লোকে বেশি বেশি করে জানতে পারে। মন্দির ও গুরুদ্বার তৈরিতেও তিনি সাহায্য ও যোগদান করেন। এরপর দীপক মাল্টি কালচার এডভোকেট ও এক্সিলেন্স কমিউনিটি সার্ভিসের আয়ার্ডও পেয়েছেন।
ভারতবংশীয় দীপক রাজ গুপ্তা অস্ট্রেলিয়াতে মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়া ক্যাপিটাল টেরিটরি (এসিটি) এসেম্বলিতে প্রথম ভারতীয়-অস্ট্রেলিয়ান মেম্বার নির্বাচিত হন এবং তিনি গীতার উপর হাত রেখে শপথ গ্রহণ করেন। ৩০ বছর বয়সী দীপক ১৯৮৯ সালে অস্ট্রেলিয়া যান।
দীপক বলেন যে, আমি পবিত্র গ্রন্থ গীতাতে হাত রেখে শপথ নেওয়ার সিদ্ধান্ত অনেক আগেই নিয়েছিলাম। অস্ট্রেলিয়ার সদনে বাইবেল ছুঁয়ে শপথ গ্রহণ করা হয়। আমি নিজের ইচ্ছা প্রকাশ করায় এসেম্বলির অফিসাররা নিয়ম চেক করে বলেন, যে কোনো সদস্য অন্য ধর্মের গ্রন্থ নিয়ে শপথ নিতে পারেন।
কোনো বাধা না থাকার পর তাকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তিনি নিজের সঙ্গে ভাগবত গীতার একটি প্রতিলিপি নিয়ে গিয়েছিলেন। পরে ভগবৎ গীতা এসেম্বলিকে সেভিনিয়ার হিসাবে গিফট করে দেন। দীপক এর ভাই অনিল রাজ বলেন যে দীপক অস্ট্রেলিয়াতে অনেক লড়াই করেছে। গাড়ি ধোয়া থেকে শুরু করে রেস্টুরেন্টেও কাজ করেছে, পাশাপাশি তিনি পড়াশোনাও করতেন। দীপক ১৯৯১ এ পাবলিক রিলেশান অফিসারের কাজ পান। এরপর তিনি ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্স এক্সিকিউটিভ অফিসারের সরকারি চাকরিও পান।
অনিল জানান যে দীপক অস্ট্রেলিয়াতে থাকলেও ভারতীয় সংস্কৃতিকে ভোলেন নি। তিনি ভারতীয় সংস্কৃতিকে প্রমোট করার জন্য অনেক শিবিরের আয়োজন করেন। ক্যানবেরাতে ভারতের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় তাতে মন্ত্রীদের ডাকা হয় যাতে ভারতীয় সংস্কৃতির ব্যাপারে লোকে বেশি বেশি করে জানতে পারে। মন্দির ও গুরুদ্বার তৈরিতেও তিনি সাহায্য ও যোগদান করেন। এরপর দীপক মাল্টি কালচার এডভোকেট ও এক্সিলেন্স কমিউনিটি সার্ভিসের আয়ার্ডও পেয়েছেন।









কোন মন্তব্য নেই