Header Ads

ক্যাব,এন আর সি ভুলে ভরা মানা যায় না দাবি প্রাক্তন আর এস এস নেতা রমেশ শিলেদারের

অমল গুপ্ত,গুয়াহাটি: ক্যাব  এ তিন চারটি দেশে  অত্যাচারিত হিন্দুদের স্বার্থের কথা বলা হয়েছে কিন্তু সারা বিশ্বের অনেক রাষ্ট্রে  হিন্দুরা নিরাপদে নেই তাদের কথা উল্লেখ করা হয় নি  নাগরিকত্ব সংশোধিত আইনে ।বিজেপি বা আর এস এস দলের উদ্দেশ্য হচ্ছে বিশ্বের সব হিন্দু জনগোষ্ঠীর স্বার্থ সুরক্ষিত করা । আর এস এস এর প্রাক্তন সাংগঠনিক  সম্পাদক রমেশ  শিলেদার   9 ডিসেম্বর গুয়াহাটিতে  এই  মন্তব্য করে বলেন  সংঘ সেবক হিসাবে মন্ত্র গুপ্তির শপথ নিয়ে বিজেপি   নেতারা সরকার চালাচ্ছেন, তবে কেন   এমন সিদ্ধান্ত  ,বিশ্বের যে প্রান্তে হিন্দুরা নিরাপদ বোধ করবে না তাদের ভারতে আসার পুরো অধিকার আছে।কিন্তু ওই  আইনে মাত্র তিনটি রাষ্ট্রের কথা বলা হয়েছে।অসমের জন  বিন্যাসের প্রসঙ্গ তুলে অসমের মাটিতে বহু বছরের অভিজ্ঞতার  আলো কে বলেন অসমে দ্রুত  ডেমোগ্রাফি পরিবর্তন হচ্ছে, জন গাঁথনী   নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা সরকারের নেই।আজ অসমীয়া ভাষা সংস্কৃতি   বিপদের মুখে।  খিলনজিয়া ভূমি পুত্র দের কয়েকটি জেলাতে কোন ঠাসা অবস্থা   বলে অভিজ্ঞ সংঘ  পরিবারের নেতা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন হোম টাস্ক না করে ,তৃণমূল পর্যায়ে মানুষদের   আস্থার মধ্যে না নিয়ে  জাতীয় নাগরিক  পঞ্জি বা এন আর সি প্রস্তুত করা হল ,প্রথম তালিকা  এক কোটি মানুষের নাম বাদ পড়লো সারা দেশে বার্তা গেল বিজেপি সরকার বাংলাদেশি কে বাদ দিল। সব দিকে ব্যহবা বাহবা পড়ে গেল ,তারপর কি হল?  আবার নতুন তালিকা বাদ পড়লো কত 19 লাখ 6 হাজার।আর কারা বাদ পড়লো?   অধিকাংশ ভারতীয় নাগরিক অসমীয়া,কোচ রাজবংশী, বাঙালি হিন্দু  জনগোষ্ঠীর মানুষ যারা ভূমি পুত্র। আর কত টাকা খরচ হল?1600 কোটি টাকার বেশি।কত সময়020 অপচয় হল।  এখন বিজেপি নেতারা কি বলছেন  19 লাখের তালিকা  সরকার মানবে না।   প্রসঙ্গত সুপ্রিম  কোর্টের  প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ দিল্লীতে তার এক গ্রন্থ প্রকাশ করে  দাবি করে বলেছেন প্রাক্তন  মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ  এন আর  সি রূপায়ণের কাজ আস্তে আস্তে করার পরামর্শ  দিয়েছিলেন। তার  সাংসদ  পুত্র গৌরব গগৈ সেই দাবি  অবশ্য  উড়িয়ে দিয়েছেন।  আর এস এস নেতা  শিলেদার বর্তমান বিজেপি সরকারের  সমালোচনা করে বলেন যে সব  তৃণমূল পর্য্যযের বিজেপি কর্মী নেতা সরকার গড়তে সহযোগিতা করেছে তাঁদের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা পাত্তায় দিচ্ছেন  না। 2020 সালের আগে রাজ্যে র মানুষ   পদ্ম ফুল চিনতেন না।  এখন পদ্ম ফুল ফুটেছে  তা আবার  শুকিয়ে যাবে বলে  হতাশ ভাবে  মন্ত্যব করেন।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.