Header Ads

নয়া ঠাহর— মাসিক থেকে ডিজিট্যাল দুনিয়ায় প্রবেশ

অমল কুমার গুপ্ত— অমল গুপ্ত হিসাবে অসমে পরিচিত, পশ্চিমবঙ্গের মুৰ্শিদাবাদ জেলার কান্দি সাব-ডিভিশনের আদি বাসিন্দা৷ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশুনার পর বৰ্ধমান জেলার রাণীগঞ্জের মেসাৰ্স বেঙ্গল পেপার মিলের অধীনে ‘র মেটেরিয়াল সেকশন’-এ সাৰ্কোল সুপারিটেডেট পদে প্ৰথম চাকরিতে যোগদান৷ উত্তর বঙ্গের দাৰ্জিলিং, আলিপুর দুয়ার তার পর অসমের সাবেক উত্তর কাছাড় পাৰ্বত্য জেলা (ডিমা হাসাও) এবং মেঘালয়ের মেন্দিপাথারসহ বিহার, উত্তর প্ৰদেশের বিভিন্ন জায়গায় বদলি হয়ে কাজ করেন৷ জঙ্গলে বাঁশ, কাঠ সংগ্ৰহের কাজ তদারক করায় ছিল তার প্ৰধান কাজ৷ কান্দি সাব-ডিভিশনে শত বৰ্ষের প্ৰাচীন বাংলা সাপ্তাহিক ‘কান্দি বান্ধব’ কাগজে তার লেখালেখির হাতে খড়ি, তার পর তার সম্পাদনায় প্ৰকাশিত ‘প্ৰবাহ’তেই লেখালেখির পূৰ্ণ পাঠ৷ অসমে বদলি হয়ে আসার পর মুপা নামে এক ষ্টেশনের পাশে থাকার সময় থেকে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সংবাদপত্ৰে তার ছোটখাটো লেখা প্ৰকাশ হতে থাকে৷ আনন্দ বাজার পত্ৰিকার ‘চিঠি-পত্ৰ’ কলমে তার বেশ কয়েকটি প্ৰতিবেদন প্ৰকাশিত হয়েছে৷ জঙ্গল পাহাড় পরিবেশের সঙ্গে আগে পরিচয় ছিল না৷ জঙ্গলের চাকরিতে যোগ দিয়ে বন্য পরিবেশের সঙ্গে বুূত্বপূৰ্ণ সম্পৰ্ক গড়ে উঠে৷ জঙ্গল পরিবেশ সংরক্ষণ নিয়ে তার ৫টি গ্ৰন্থ প্ৰকাশিত হয়৷ লামডিঙের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব বিজন সিংহ, প্ৰাক্তন বিধায়ক তথা বিধানসভার প্ৰাক্তন অধ্যক্ষ দেবেশ চক্রবৰ্তীর সহযোগিতায় প্ৰথম গ্ৰন্থ ‘বনে বনান্তরে’ গুয়াহাটি প্ৰেস ক্লাবে উন্মোচন করেন তদানীন্তন রাজ্যপাল লোকনাথ মিশ্ৰ৷ এই গ্ৰন্থের ভূমিকা লিখে দিয়েছিলেন দেশের বিশিষ্ট সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ এবং দেশের বিশিষ্ট বিপ্লবী পান্নালাল দাশগুপ্ত৷ পরের গ্ৰন্থ ‘অসমের রবীন আঙ্কল’, তারপর ‘আত্মঘাতি পাখি’, ‘আন্দামান সফর’, ‘ব্ৰহ্মপুত্ৰ উপত্যকার বাঙালি সমাজ’ প্ৰভৃতি৷ চাকরি ছাড়ার পর মধ্য অসমের লামডিং শহরের নেতাজী প্ৰেমী বিজন সিংহ, প্ৰাক্তনমন্ত্ৰী ড০ অৰ্ধেন্দু কুমার দে’, সমাজকৰ্মী স্বপন দাস, আশীষ চক্রবৰ্ত্তী, হিমাদ্ৰী সরকার প্ৰমুখদের সহযোগিতা নিয়ে ‘ঐক্যতান’ নামে এক বাংলা সাপ্তাহিকের সম্পাদনা শুরু করে৷ ৮০র দশকে গুয়াহাটি থেকে বিজয়কৃষ নাথের সম্পাদনায় প্ৰকাশিত ‘দৈনিক যুগশঙ্খ’ সংবাদ পত্ৰে সহকারি সম্পাদনার দায়িত্ব গ্ৰহণ করেন৷ তার পর দৈনিক যুগশঙ্খ সংবাদ পত্ৰের আবাসিক সম্পাদক, দৈনিক সকালবেলা-র সহকারি সম্পাদক, দৈনিক সংবাদ লহরী-র সম্পাদক, এর মাঝে সময়প্ৰবাহ, হিন্দী দৈনিক পূৰ্বাঞ্চল প্ৰহরী, শিলচরের সাময়িক প্ৰসঙ্গ, কলকাতার আজকাল, আগরতলার দৈনিক সংবাদ, ওয়েভ পোৰ্টাল সংবাদ প্ৰহরী, করিমগঞ্জ জেলার দৈনিক নববাৰ্তা প্ৰসঙ্গ, বৰ্তমানে অমল গুপ্ত তার সম্পাদনায় নিজের মালিকানাধীন ওয়েভ পোৰ্টাল নয়া ঠাহর প্ৰকাশিত হছে অসমের গুয়াহাটি মহানগর থেকে৷
অমল গুপ্ত জাৰ্মান রেডিও ডোয়েচে ভেলের উত্তর পূৰ্বাঞ্চলের সংবাদদাতা হিসাবেও কয়েক বছর কাজ করেছেন৷ প্ৰায় ৮বছর থেকে মধ্য অসমের রেলওয়ে শহর লামডিংয়ের লিটল ষ্টার এ্যকাডেমির অধ্যক্ষা জয়শ্ৰী আচাৰ্যর সম্পাদনায়, অমল গুপ্তর প্ৰকাশনায় বাংলা মাসিক ঠাহর প্ৰকাশিত হয়েছিল৷ কেন্দ্ৰীয় সরকারের রেজিষ্ট্ৰেশন নিউজ পেপার অফ ইণ্ডিয়া (আর এন আই) ঠাহরকে নয়া ঠাহর হিসাবে স্বীকৃতি দেয়৷ (RNI Ref. No. 1261703, Title Code: ASSBEN11749, Dated: 04-12-2014) অমল গুপ্তর সম্পাদনায় গুয়াহাটি শহর থেকে নয়া ঠাহর বাংলা মাসিক পত্ৰিকা প্ৰকাশিত হওয়ার পর ২০১৮ সালের জুলাই থেকে নয়া ঠাহর নিজস্ব ওয়েভ পোৰ্টাল, বাংলা সংবাদ এবং সাহিত্য পত্ৰিকা হিসাবে নিয়মিত প্ৰকাশিত হছে৷ সহকারি সম্পাদনার দায়িত্বে আছেন জয়শ্ৰী আচাৰ্য৷ এর আগে নয়া ঠাহর-এর সহঃসম্পাদনা হিসাবে পিয়ালি ঘোষ দে’ এবং সহঃ সম্পাদনা হিসাবে রিংকি মজুমদার দায়িত্ব পালন করে ছিলেন৷ বৰ্তমানেও সহযোগিতাও করছেন, লামডিংয়ের সমাজকৰ্মী স্বপন দাস, সেই সঙ্গে অবশ্যই অমল গুপ্তর পত্নী সান্ত্বনা গুপ্তও আছেন৷ প্ৰযুক্তিগতভাবে ‘নয়া ঠাহর’কে সুন্দরভাবে সাজিয়ে তুলেছেন গুয়াহাটি, হাতীগাঁওস্থিত ছফট্‌ এন টেকের কৰ্ণধার সুলতান মাহমুদ মিৰ্ধা, সহযোগিতায় আছেন জিয়াউর রহমান, প্ৰদীপ শীল, কলকাতার দেব কিশোর চক্রবর্ত্তী প্ৰমুখ৷ অসম তথা উত্তর পূৰ্বাঞ্চলে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে সাম্প্ৰদায়িক সম্প্ৰীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশেষ করে বাঙালি-অসমীয়াদের মধ্যে ভাতৃত্বের সেতু বন্ধন গড়ার উদ্দেশ্য নিয়ে এবং প্ৰতিবেশী রাজ্য পশ্চিমবঙ্গকে পাশে নিয়ে প্ৰথম বাংলা নিউজ সাহিত্য পত্ৰিকা ওয়েভ পোৰ্টাল নয়া ঠাহর-এর যাত্ৰা শুরু৷


গুয়াহাটির স্থায়ী ঠিকানা—
অমল গুপ্ত, অসম ষ্টেট হাউসিং বোৰ্ড কমপ্লেক্স, (বকুল বন হাউসিং), কোয়াটার নম্বর- এল আই জি ৫, থানা ও ডাকঘর- হাতীগাঁও, গুয়াহাটি- ৭৮১০৩৮,জেলা- কামরূপ (মেট্ৰো)

ইমেলঃ amalgupta1234@gmail.com,

Contact No- +91 98640 44239 / +91 86388 29114

No comments

Powered by Blogger.