Header Ads

জিএসটি ১০ লক্ষ টাকা থেকে বৃদ্ধি ২০ লক্ষ টাকা, ৪০ হেক্টর জমির চা বাগান কর মুক্তের প্ৰস্তাব হিমন্ত বিশ্ব শৰ্মার

৩০ শতাংশ বাস ভাড়ার বৃদ্ধির পক্ষে সওয়াল করলেন চন্দ্ৰমোহন পাটোয়ারি

অমল গুপ্ত, গুয়াহাটিঃ অসমের ক্ষুদ্ৰ ব্যবসায়ীরা বছরে ১০ লক্ষ টাকা পৰ্যন্ত ব্যবসা করলেই পণ্য ও পরিষেবা করের (জিএসটি) আওতায় আনা হতো এবং তাদেরকে জিএসটি নথিভুক্ত করে ১ শতাংশ হারে কর দিতেই হতো। জিএসটি কাউন্সিলের অন্যতম সদস্য তথা অসমের অৰ্থমন্ত্ৰী হিমন্ত বিশ্ব শৰ্মা আজ বিধানসভায় ‘দ্য আসাম টেক্সেশান (অন স্পেসিফাইড ল্যাণ্ড) (এ্যমেণ্ডমেণ্ট) বিল ২০১৮, এবং ‘দ্য আসাম গুডস এ্যণ্ড সাৰ্ভিসেস টেক্স (এ্যমেণ্ডমেণ্ট) বিল ২০১৮ বিধানসভায় পেশ করে রাজ্যের ক্ষুদ্ৰ ব্যবসায়ীদের স্বস্তি দেওয়ার জন্য বছরে ১০ লক্ষ টাকার বদলে ২০ লক্ষ টাকা পৰ্যন্ত  ব্যবসা (টাৰ্নওভার) করলে বছরে মাত্ৰ ১ শতাংশ হারে জিএসটি কর দিতে হবে বলে প্ৰস্তাব দিলেন। এছাড়াও ৪০ হেক্টর পৰ্যন্ত যাদের জমিতে চা বাগান আছে তাদেরও সম্পূৰ্ণ জিএসটি কর ব্যবস্থা তুলে দিয়ে ক্ষুদ্ৰ চা ব্যবসায়ীদের রেহাই দিলেন। আগে ২৫ শতাংশ কর রেহাই দেওয়া হয়েছিল, বৰ্তমানে ১০ শতাংশ হারে কর দিতে হতো, তা সম্পূৰ্ণ তুলে নেওয়ার প্ৰস্তাব দিলেন। এছাড়াও যে সব ক্ষুদ্ৰ ব্যবসায়ীরা বছরে দেড় কোটি টাকা পৰ্যন্ত ব্যবসা করবে তাদের মাত্ৰ ১ শতাংশ হারে এবং যে সব ক্ষুদ্ৰ শিল্পপতি কোনও সামগ্ৰী উৎপাদন করবে তাদের দেড় কোটি টাকা ব্যবসা করলে ২ শতাংশ হারে কর দিতে হবে। বিধানসভায় এই বিলের ওপর সংশোধনী প্ৰস্তাব তোলেন কংগ্ৰেস এবং এআইইউডিএফ সদস্যরা। এআইইউডিএফ-র হাফিজ বশির আহমেদের পক্ষে আমিনুল ইসলাম, কংগ্ৰেসের পক্ষে রকিবুল হোসেন ক্ষুদ্ৰ ব্যবসায়ীদের আরও স্বস্তি দেওয়ার দাবি জানান। প্ৰাক্তন মন্ত্ৰী তথা বিধায়ক রকিবুল হোসেন অভিযোগ করেন, আমরা প্ৰথম থেকে ১০ লক্ষ টাকার বদলে ২০ লক্ষ টাকার দাবি জানিয়ে আসছিলাম। এই দাবি জানাতে গিয়ে কংগ্ৰেস আন্দোলনও করে। প্ৰতিবাদ করতে গিয়ে আমাদের ১৫ বছরের প্ৰাক্তন মুখ্যমন্ত্ৰী তরুণ গগৈকেও জেলেও পাঠানো হয়। রকিবুল বৰ্তমান তেলের মূল্যবৃদ্ধিসহ অন্যান্য সামগ্ৰীর অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির প্ৰেক্ষিতে ব্যবসার টাৰ্নওভার অনুযায়ী ২০ লক্ষের বদলে ৩০ লক্ষ করার দাবি জানান। সেই দাবির সপক্ষে রকিবুল হোসেন কয়েক হাজার বছর পূৰ্বের তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়, চানক্য কৌটিল্যের প্ৰসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, সেই সময় আলেকজেণ্ডার ভারত আক্ৰমণ করেছিলেন। ছোট ছোট রাজ্যকে একত্ৰিত করে বড় মগধ রাজ্যের প্ৰতিষ্ঠা করা হয়েছিল। মগধ রাজ্যে সফর করলে গরিব প্ৰজারা চোখের জল ফেলে রাজাকে জানিয়েছিলেন, অতিরিক্ত কর নেওয়ার জন্য তাদের কষ্ট হচ্ছে। এই প্ৰসঙ্গ তুলে বিধানসভায় রকিবুল হোসেন অৰ্থমন্ত্ৰী হিমন্ত বিশ্ব শৰ্মাকে ‘অহংকারী' বলেও কটাক্ষ করেন। অধ্যক্ষ হিতেন্দ্ৰ নাথ গোস্বামী তাতে বাধা দেন ব্যক্তিগত আক্ৰমণ না করার জন্য বলেন। জিএসটি কেন্দ্ৰীয় আইন, তাই রাজ্যপাল জগদীশ মুখির অনুমোদন পত্ৰ পাঠ করার পর অৰ্থমন্ত্ৰী হিমন্ত বিশ্ব শৰ্মা বিলটি সম্পৰ্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে ক্ষুদ্ৰ ব্যবসায়ী এবং ৪০ হেক্টর জমি থাকা মালিকদের স্বস্তির কথা জানান। তিনি প্ৰতিশ্ৰুতি দেন জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে টাৰ্নওভার ৩০ লক্ষ টাকা করার সুপারিশ করবেন। তিনি বলেন, জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্ৰী কনাড সাংমা ১০ লক্ষ টাকার বদলে ২০ লক্ষ টাকার টাৰ্নওভার কথা জানিয়েছিলেন। কংগ্ৰেস-এআইইউডিএফ শেষ পৰ্যন্ত সংশোধনী প্ৰস্তাব তুলে নেয়। বিলটি পাশ হওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হলো। জিএসটি যেহেতু কেন্দ্ৰীয় আইন তাই জিএসটি কাউন্সিলের অনুমোদনের পর প্ৰস্তাব দুটি পাশ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।  বিধানসভায় বরাক এবং ব্ৰহ্মপুত্ৰ উপত্যকায় চা শ্ৰমিকদের মজুরির বৈষম্য তুলে ধরে বিজেপির রাজদ্বীপ গোয়ালা অভিযোগ করেন ব্ৰহ্মপুত্ৰ উপত্যকার শ্ৰমিকদের মতো একই পরিশ্ৰম করার পরেও বরাক উপত্যকার শ্ৰমিকদের মজুরি কম দেওয়া হয়। বরাকের শ্ৰমিকরা পায় ১১৫ টাকা হাজিরা এবং ব্ৰহ্মপুত্ৰ উপত্যকার শ্ৰমিকরা পায় ১২৬ টাকা। ১ লক্ষের ওপর স্থায়ী-অস্থায়ী চা শ্ৰমিকদের বকেয়া দাঁড়িয়েছে প্ৰায় ১৫ কোটি টাকা সরকার তা প্ৰতিশ্ৰুতি দিয়েও তা রক্ষা করেননি। আসাম টি কৰ্পোরেশনের অধীন ৩ টি চা বাগানের অবস্থা আরও খারাপ, তাদের দৈনন্দিন রেশন, মেডিকেল প্ৰভৃতি কোনও সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয় না। শ্ৰম প্ৰতিমন্ত্ৰী পল্লব লোচন দাস এই বৈষম্যর জন্য বিগত কংগ্ৰেস সরকার এবং চা শ্ৰমিক সংগঠনগুলির দিকে আঙুল তুলে বলেন, বিজেপি সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর এই বৈষম্য দূর করার চেষ্টা শুরু হয়েছে। অন্তবৰ্তীকালীনব্যবস্থা হিসাবে ৩০ টাকা হিসাবে রিলিফ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মালিক পক্ষ এবং দুটি চা শ্ৰমিক সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করে শ্ৰমিকদের অন্যান্য সুযোগ সুবিধাসহ ৩৫১.৩৩ টাকা (ক্যাশ ও কাইণ্ড) দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে কিন্তু মালিকপক্ষ তা মানতে চাইছে না। তিনি জানান ১৪ এটিসি চা বাগানের নূন্যতম মজুরি দেওয়া হবে। ৩০ টাকা হারে অন্তবৰ্তীকালীন রিলিফ দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। ১ মাৰ্চ থেকে দেওয়ার কথা হয়েছিল, এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিজেপি বিধায়ক গোয়ালা মন্ত্ৰীকে চেপে ধরে বলেন, অন্তবৰ্তীকালীন ৩০ টাকা হারে রিলিফ হলে বরাকের চা বাগানগুলিতে বকেয়া দাঁড়াবে প্ৰায় ৩ হাজার কোটি টাকা। বাস ভাড়া ৩০ শতাংশ বাড়ানোর পক্ষে সওয়াল করলেন পরিবহনমন্ত্ৰী চন্দ্ৰমোহন পাটোয়ারি তিনি বলেন, ২০১২ সাল থেকে রাজ্য কোনও যান বাহনের ভাড়া বাড়েনি, অন্যান্য রাজ্যে ভাড়া অনেক বেশি, পেট্ৰোল, ডিজেলের দাম বেড়েছে ৬৮ শতাংশ হারে, কৰ্মচারিদের মজুরি এবং অন্যান্য কিছু বেড়েছে ৬৪ শতাংশ হারে। দেশের মধ্যে একমাত্ৰ অসমে ভাড়া সব থেকে কম। এএসটিসি লোকসানে চলছে। অসম রাজ্য পরিবহন নিগমের (এএসটিসি) উন্নয়নে বিভিন্ন কৰ্মসূচী গ্ৰহণ করছে। ভলভো কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি হয়েছে ১৭৭ টি ভলভো বাস অসমে চলবে। মাৰ্সিডিজ কোম্পানির সঙ্গেও সরকারের চুক্তি হয়েছ। এই দুই কোম্পানি ছাড়াও অন্যান্য অত্যাধুনিক কোম্পানির সঙ্গে সরকার সমঝোতা চুক্তি করে নতুন নতুন বাস শহরে চালানো সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই উন্নয়নমূলক কাজের জন্য এএসটিসিকে মুনাফাজনক অবস্থায় পৌঁছিয়ে দেওয়ার লক্ষে বাস ভাড়া বৃদ্ধি করা ছাড়া গত্যন্তর নেই। তিনি ৩০ শতাংশ বাস ভাড়া বৃদ্ধির পক্ষে ওকালতি করেন। বিধানসভায় শূণ্যকালীন ঘণ্টায় এআইইউডিএফ-র আমিনুল ইসলাম আশংঙ্খা প্ৰকাশ করে বলেন, বাস ভাড়া বৃদ্ধির ফলে সাধারণ শ্ৰমীজিৱি মানুষ ক্ষতিগ্ৰস্থ হবে। পরিবহন নিগম ইতিমধ্যে বাস শ্ৰমিক সংগঠনগুলির সঙ্গে বৈঠক করে বাস ভাড়া নূন্যতম ৫ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৭ টাকা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং বেসরকারী ট্ৰেকারের ভাড়া নূন্যতম ১৫ টাকা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে তবে এখনও সরকারী অনুমোদন দেওয়া হয়নি। আজ বিধানসভায় বরাক উপত্যকার সমস্যা নিয়ে দুই বিধায়ক প্ৰশ্ন তোলার সময় বরাকের প্ৰতিনিধি উপাধ্যক্ষ কৃপানাথ মাল্লা বিধানসভা পরিচালনা করেন। বরাকের বিধায়ক রাজদ্বীপ গোয়ালা এবং কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ বিধানসভায় বাংলা ভাষাতে বক্তব্য রাখেন।  উত্তর করিমগঞ্জের বিধায়ক কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ বরাক উপত্যকার ইষ্ট ওয়েষ্ট করিডরের মাত্ৰ কয়েক কিলোমিটার আজও সম্পূৰ্ণ না হওয়ায় সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। প্ৰাক্তন প্ৰধানমন্ত্ৰী অটল বিহারী বাজপেয়ীর স্বপ্নের প্ৰকল্প ইষ্ট ওয়েষ্ট করিডরের সূচনা করেছিলেন। তাই পুরকায়স্থ বাজপেয়ীর প্ৰতি কৃতজ্ঞতা প্ৰকাশ করে বলেন, বরাক উপত্যকার মানুষকে শিলং হয়ে গুয়াহাটি আসতে হয়। মেঘালয়ের জমির উপর দিয়ে গাড়ী আসে তাই তাদের কোনও অধিকার থাকেনা। অথচ ডিমা হাসাও হয়ে গুয়াহাটি আসা যায় না। ইষ্ট ওয়েষ্ট করিডরের বালাছড়া থেকে হারাঙ্গাজাও পৰ্যন্ত ২৯ কিলোমিটার রাস্তার আজও এন ও সি পাওয়া যায়নি। পুৰ্ত্ত দপ্তরে বলছে এন ও সি পাওয়া গেছে কিন্তু বন দপ্তর বলছে এন ও সি পাওয়া যায় নি। ২০০৪ সালে স্বপ্নের প্ৰকল্প শুরু হয়েছিল। এই রাস্তা নিয়ে দীৰ্ঘ বছর ধরে টাল বাহানা চলছে। পুৰ্ত্ত প্ৰতিমন্ত্ৰী তপন গগৈ বলেন, বালাছড়া থেকে হারাঙ্গাজাও পৰ্যন্ত ২৫.২ কিলোমিটার রাস্তার কাজ চলছে। কাছাড় এলাকায় কোনও কাজে বাধা নেই। ফরেষ্ট এলাকার রাস্তার জন্যও সবুজ সঙ্কেত পাওয়া গেছে। ১১ কিলোমিটার এলাকায় গাছ কাটা হয়েছে। ডিমা হাসাও এলাকায় ভূমি অধিগ্ৰহণের  কাজ বাকি আছে। মন্ত্ৰী প্ৰশ্ন তোলেন ২০০৫ থেকে ২০১৬ সাল পৰ্যন্ত তদানীন্তন কংগ্ৰেস সরকার কি করেছিল? বিজেপি সরকার ইতিমধ্যে ইষ্ট ওয়েষ্ট করিডরের মধ্যে বাকী অসম্পূৰ্ণ কাজ নিয়ে নীতিন গাডকারির সঙ্গে রাজ্যের পুত্তমন্ত্ৰীর হিমন্ত বিশ্ব শৰ্মার শিলংয়ে আলোচন  হয়েছে। মন্ত্ৰী জানান কাজটি ২০২০ সালের মধ্যে শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বরাক উপত্যকার সমস্যার ওপর রাজ্য সরকারের বিশেষ দৃষ্টি আছে। দৈনিক যুগশংঙ্খ-এ গত ১৬ জুলাই প্ৰকাশিত ‘মহাসড়কের কাজঃ চূড়ান্ত বেহাল শিলচর-হাফলং সড়ক, কাজে থাকলেও মাঠে নেই এনএইচআইডিসিএল' শীৰ্ষক খবরটির উদ্ধৃত দিয়ে কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ বিধানসভায় দৃষ্টি আকৰ্ষণী নোটিশ দিয়েছিলেন। বিধানসভায় নারায়ণ ডেকা কৰ্মচারিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা সম্পৰ্কে জানতে চাইলে, সংসদীয় পরিক্ৰমামন্ত্ৰী চন্দ্ৰমোহন পাটোয়ারি বলেন, সরকারের কাজে অবহেলা করলে তাকে শাস্তি দেওয়ার অধিকার ডেপুটি কমিশনারদের আছে। বৰ্খাস্ত মানে শাস্তি নয়, কাউকে বৰ্খাস্ত করা হলে ৩১৫ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট অফিসারের বিরপদ্ধে সরকারের কাছে প্ৰতিবেদন দাখিল করতেই পারবে। তদন্তের কাজ নিৰ্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শেষ করতে হবে। ৪৮ ঘণ্টার বেশি কাউকে ধরে রাখা যাবে না। কৰ্মচারিদের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত রাখবে সরকার, তবে সরকারি কাজে শৃংঙ্খলা বজায় রাখতেই হবে। বিধানসভায় আজ মুখ্যমন্ত্ৰী সৰ্বানন্দ সনোয়ালের পক্ষে সংসদীয় পরিক্ৰমা মন্ত্ৰী চন্দ্ৰমোহন পাটোয়ারি ‘দ্য আসাম শ্ৰীশ্ৰী অনিরুদ্ধদেব স্পোৰ্টস ইউনিভারসিটি বিল নিয়ে এবং পরিবহন বিভাগের দায়িত্ব প্ৰাপ্ত মন্ত্ৰী চন্দ্ৰমোহন পাটোয়ারি ‘দ্য আসাম ইনল্যাণ্ড ওয়াটার ট্ৰেন্সপোর্ট রিগুলেটরি অথরিটি বিল ২০১৮ নিয়ে আলোচনার পর বিধানসভায় গৃহীত হয়। বিধানসভায় কংগ্ৰেসের অজন্ত নেওগ গোলাঘাট জেলায় পেঁয়াজ, আলুর সিণ্ডিকেট রাজ নিয়ে অভিযোগ করেন, জবাবে খাদ্য সরবরাহমন্ত্ৰী ফণী ভূষণ চৌধুরী স্বীকার করে নিয়ে বলেন, গোলাঘাটের একাংশ সিণ্ডিকেট রাজ চালাচ্ছিল। মণ্টু বরা নামের একজনকে গ্ৰেফতার করা হয়। শ্ৰীমতি নেওগের অভিযোগ সিণ্ডিকেট রাজের সঙ্গে বিজেপির একাংশ জড়িয়ে আছে। গোলাঘাটের সাৰ্কিট হাউসথেকে সিণ্ডিকেট রাজ চালানো হয়। আজ বিধানসভায় প্ৰেশ্নাত্তর পৰ্বে শিক্ষা বিভাগ নিয়ে আলোচনার সময় শিক্ষামন্ত্ৰীর সঙ্গে রূপজ্যোতি কুৰ্মীর তীব্ৰ বাদানুবাদ হয়। রূপজ্যোতি কুৰ্মীকে অসংসদীয় ভাষায় আক্ৰমণ করেন, মৃণাল হাজরিকা এবং শিলাদিত্য দেব প্ৰমুখ।

No comments

Powered by Blogger.