Header Ads

প্ৰবীনভাই টোগারিয়াকে সভা করার অনুমতি দেওয়া হল না



নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলকে সমৰ্থন করে প্ৰবীনভাই টোগারিয়ার অভিযোগ অসমে ৫০ লক্ষ বাংলাদেশীদের বাস, বিতাড়িত মাত্ৰ ১৭ জন
গুয়াহাটিঃ আন্তঃৰ্জাতিক হিন্দু পরিষদের প্ৰধান প্ৰবীনভাই টোগারিয়া নিষেধাজ্ঞা অবজ্ঞা করে গুয়াহাটি বরঝার আন্তৰ্জাতিক বিমান বন্দরে অবতরণ করার সঙ্গে সঙ্গে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির এক বৃহৎ সংখ্যক সদস্য প্ৰবীন টোগারিয়াকে বিপুল ভাবে সম্বৰ্ধনা জানান। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং বজরং দলের এক বৃহৎ সংখ্যক সদস্য প্ৰবীন টোগারিয়ার সঙ্গে সামিল হয়েছেন বলে হিন্দুত্ববাদি সংগঠনগুলির দাবি। প্ৰবীন টোগারিয়া বিমান বন্দর থেকে সোজাসুজি কামাখ্যা ধাম এবং উজান বাজারের উগ্ৰতারা মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন। পরে পুলিশ কমিশনার হীরেণ নাথের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এক স্মারক পত্ৰ প্ৰদান করেন। কমিশনার হীরেন নাথ তাকে জানান, গুয়াহাটি সফরে আপত্তি নেই, তবে দুমাসের জন্য সভা-সমিতির উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার প্ৰতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে এবং বুকে প্ৰতিবাদী ব্যানার ঝুলিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথাবৰ্তা বলার সময় বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে কড়া অভিযোগ করে বলেন, অসমে প্ৰায় ৫০ লক্ষ বাংলাদেশী সত্ৰের জমি বেদখল করেছে। অসম সরকার বাংলাদেশীদের লাল কাৰ্পেট বিছিয়ে আমন্ত্ৰণ জানাচ্ছে। বৃহত্তর বাংলাদেশের সঙ্গে একদিন অসম সামিল হবে। রাজ্যে হিন্দুদের পক্ষে আওয়াজ তোলা যাবেনা। তাই তার উপরে সরকার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এই সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর মাত্ৰ ১৭ জন বাংলাদেশীকে বিতারণ করতে পেরেছে। বাংলাদেশ সীমান্ত আজও উন্মুক্ত হয়ে পরে আছে, সীমান্ত সীল করা হয় নি। সীমান্ত বেড়া দেওয়াও হয় নি। জাতি-মাটি-ভেটির প্ৰতিশ্ৰুতি দেওয়ার সরকার সরকার সম্পূৰ্ণভাবে ব্যৰ্থ হয়েছে। হিন্দুত্ববাদী নেতা প্ৰবীনভাই টোগারিয়া বলেন, প্ৰধানমন্ত্ৰী বলেছিলেন, অসমে ৫০ লক্ষ বাংলাদেশী আছে।  তা বিতড়ণ করা হচ্ছে না, কেবল দেখানোর জন্য জাতীয় নাগরিকপঞ্জীর কাজ শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ না মানলেও ভারতীয় সেনার বাংলাদেশের মাটিতে এই রাজ্যের বাংলাদেশীদের জন্য পুৰ্নবাসনের ব্যবস্থা করে দিতে লাগে। তার অভিযোগ রাজ্য বিজেপিতে কংগ্ৰেসীকরণ চলছে তাই তার মুখ বন্ধের চেষ্টা করা হচ্ছে। নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের সমৰ্থন করে বলেন, মুসলিমরা প্ৰব্ৰজনকারী তাদেরকে অনুপ্ৰবেশকারী হিসাবে পাঠিয়ে দিতে  হবে বাংলাদেশে এবং এদেশে হিন্দুদের পুৰ্নবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে বলে মন্তব্য করেন, আন্তঃরাষ্ট্ৰীয় হিন্দু পরিষদের সভাপতি প্ৰবীনভাই টোগারিয়া।

No comments

Powered by Blogger.