Header Ads

১৯ জন এসিএস-এপিএস অফিসারকে গ্ৰেফতার সঙ্গে বিজেপি সাংসদের কন্যাও


অসুস্থ সাংসদ বাবাকে কিডনি দান করার কথা ধৃত কন্যার

গুয়াহাটিঃ সৰ্বানন্দ সনোয়াল সরকার ক্ষমতাসীন হয়েই এপিএসসির চেয়ারম্যান রাকেশ পালকে দুৰ্নীতির অভিযোগে গ্ৰেফতার করে জেলে ভরেন। এবার এসিএস-এপিএস যে সব সদস্য ঘুষের বিনিময়ে চাকরি নিয়েছিলেন এবং পরীক্ষার নামে ব্যাপক দুৰ্নীতিতে জড়িয়ে ছিলেন, তাদের গ্ৰেফতার শুরু হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় বিজেপি সাংসদ আর পি শৰ্মার কন্যাসহ ১৯জনকে আজ অসম পুলিশ তাদের হস্তাক্ষরের নমুনা পরীক্ষার নামে ডেকে নিয়ে এসে কৌশল করে সবাইকে গ্ৰেফতার করে। এর আগে প্ৰায় ৩৬জনকে গ্ৰেফতার করা হয়েছিল। তদন্তকারী ডিব্ৰুগড় পুলিশ জানিয়েছে, ফরেনসিক ল্যাবোরেটরীতে তাদের হস্তাক্ষর পরীক্ষার পর গ্ৰেফতার করা হয়। পরীক্ষা আরও বাকি আছে। বিজেপি সাংসদ আর পি শৰ্মা বৰ্তমানে কলকাতায় চিকিৎসারত। তার এক কিডনি সংস্থাপন করা হবে। সাংসদ শৰ্মার কন্যা পল্লবী শৰ্মা তার একটি কিডনি দান করবেন বাবাকে। কলকাতা থেকে প্ৰতিক্ৰিয়া ব্যক্ত করে সাংসদ শৰ্মা বলেছেন, মুখ্যমন্ত্ৰীকে জানানো সত্বেও তার কন্যাকে গ্ৰেফতার করা হল। তিনি ষড়যন্ত্ৰের বলি হলেন, তার কন্যাকে দুমাস বাদেও গ্ৰেফতার করা যেত পারতো। কন্যার জন্য আমি মরতেও পারি। কৃষক মুক্তি সংগ্ৰাম সমিতির নেতা অখিল গগৈ দাবি করেছেন, অৰ্থমন্ত্ৰী হিমন্ত বিশ্ব শৰ্মা এবং আসুর উপদেষ্টা সমুজ্জ্বল ভট্টাচাৰ্যের সুপারিশ করা প্ৰাৰ্থীদেরও তদন্তের অধীনে কেন হলো না? প্ৰাৰ্থীদের মধ্যে কবিতা দাস, চঞ্চল ফুকন এবং দেবব্ৰত দে রাজ সাক্ষী হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন বলে জানা গেছে।

No comments

Powered by Blogger.